শুক্রবার , ২২ নভেম্বর ২০১৯
Home » ব্রিটেনের সংবাদ » এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামসুল ইসলামের সাথে জিএসসি নেতৃবৃনন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ
2

এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামসুল ইসলামের সাথে জিএসসি নেতৃবৃনন্দের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

যুক্তরাজ্যে সফররত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামসুল ইসলামের সাথে গ্রেটার সিলেট ডেভলাপমেন্ট এন্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল ইন ইউকের নেতৃবৃন্দ এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।  গত ২ সেপ্টেম্বর সোমবার পূর্ব লন্ডনের একটি ক্যাফে লাউঞ্জে সাক্ষাৎকালে নেতৃবৃন্দ এক তাৎক্ষনিক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন । অতিথিকে ফুলের তোরা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জিএসসির নেতৃবৃন্দ ।   এ সময় উভয়ের মধ্যে কুশল বিনিময় ছাড়াও জিএসসি নেতৃবৃন্দ প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন । সফররত অতিথি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তার অবস্থান  থেকে সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন। জিএসসি নেতৃবৃন্দ সংগঠনের বিগত ২৫ বছরে বিলেতে এবং দেশে আর্তমানবতার সেবায় তাদের কার্যক্রম তুলে ধরেন।1

এসময় উপস্থিত ছিলেন জিএসসির কেন্দ্রীয় চেয়ারপার্সন ব্যারিস্টার আতাউর রহমান , কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি মির্জা আসহাব বেগ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ আজিজ, যুগ্ম সম্পাদক ও সাউথ ইস্ট রিজিওনের সাধারন সম্পাদক ফজলুল করীম চৌধুরী,  কেন্দ্রীয় জয়েন্ট ট্রেজারার মোঃ আবুল কালাম, কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও সাউথ ইস্ট রিজিওনের ট্রেজারার সুফী সুহেল আহমদ, সুনামগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোশিয়েশনের সাধারন সম্পাদক মো; আহবাব মিয়া, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোশিয়েশনের সভাপতি কামাল মোস্তফা গোলাপ , কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার এসোশিয়েশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমিনুর রশিদ,জয়েন্ট সেক্রেটারী আফজাল রশিদ সেলিম ও এনামুল হক, কমিউনিটি নেতা ফরিদ উদ্দিন,  লিটন মিয়া,  জাহিদ দেওয়ান, শাহরিয়ার ইসলাম প্রমুখ । – বিজ্ঞপ্তি

আরও দেখুন

rag oviman by amdad ali

রাগ-অভিমান –এমদাদ আলী

আগে অনেক কিছু দেখেছি, শুনেছিও। ঘৃনা করতে চাইলেও পারিনি বরং ভালোবেসছি। রাগ করার মতো হাজারটা কারন ছিলো তবুও কেন জানি রাগ করতে পারিনি বরং অভিমান করে ভালোবেসেছি শুধু। সে ভালোবাসায় ভালোবেসেছে এবং ভালো থেকেছে। আমি কষ্টের সাগরে সাঁতার কেটে কেটে ভালোবেসেছি এবং ভালো থেকেছি। ভুলতে গিয়ে আরো বেশী আপন করে ভালোবেসেছি। এসব শুধু আমি জানতাম আর কেউ না। এমন কি সেও না।  . একসময় সে ফিরে এলো। ভাঙ্গা বিশ্বাস, মরে যাওয়া জীবন আবার সে বাঁচাতে চাইলো। এমদাদ আলী’র একটি লেখাকে গুরুত্ব দিলাম– . “যে যাবার সে যাবেই চলে গেছে তাই যে থাকার সে থাকবে ভাবার কিছু নাই।” . আবার শুরু হলো স্বপ্ন দেখা। পথ চলা। আশা জাগলো রঙিন দিনের। কিন্তু সে ভুলে যায় আমি অন্য সবার মতো না। সে ভুলে যায় ছোট ছোট বালি কণায় বড় বড় বিল্ডিং হয়। আর সেই বিল্ডিং ইচ্ছে হলেই ভাঙ্গা যায় না…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *