বুধবার , ৩ জুন ২০২০
Home » Lead News » বৃটেনে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে যৌনবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা, উদ্বেগ

বৃটেনে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে যৌনবাহিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা, উদ্বেগ

ডেস্ক রিপোর্টঃ যৌন চিকিৎসা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরণের সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বৃটেন। যৌন স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা দেশটির প্রথম সাড়ির দুটি দাতব্য সংস্থা বিষয়টি তুলে ধরে বৃটিশ সরকারের প্রতি অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। এখনি যৌন চিকিৎসার জন্য আরো হাসপাতাল ও মানুষকে এ বিষয়ে যথাযথ তথ্য দিতে যৌন শিক্ষার জন্য বিনিয়োগ করার আহবান জানিয়েছে তারা। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

খবরে বলা হয়, বৃটেনে এসটিআই বা যৌন রোগে আক্রান্তদের অর্ধেকেরই বয়স ২৫ এর নিচে। অবস্থা এতটাই ভয়াবহ যে প্রতি ৭০ সেকেন্ডেই দেশটিতে নতুন করে একজন যৌন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে দ্য টেরেন্স হিগিনস ট্রাস্ট ও বৃটিশ এসোসিয়েশন ফর সেক্সুয়াল হেলথ অ্যান্ড এইচআইভি। তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে বৃটিশ সরকার যৌন চিকিৎসায় ব্যায়ের পরিমান শতকরা ২৫ ভাগ কমিয়ে এনেছে।

তবে প্রতিবেদনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ন অংশ ছিলো বৃটেনজুড়ে যৌন রোগের ভয়াবহতা বৃদ্ধি।

এতে দেখা যায়, গত এক দশকে বৃটেনে শুধুমাত্র গনোরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যাই বেড়ে ২৪৯ শতাংশ। অপরদিকে সিফিলিসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১৬৫ শতাংশ। গবেষণায় আরেকটি বিষয় লক্ষ্য করা গেছে যে, আক্রান্তদের মধ্যে একটি বড় অংশ পুরুষ সমকামী। সিফিলিসে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশ ও গনোরিয়ায় আক্রান্তদের ৫০ শতাংশই তারা। এরমধ্যে আবার কৃষ্ণাঙ্গ ক্যারিবিয় ও কৃষ্ণাঙ্গ আফ্রিকানদের মধ্যে এ হার বেশি।

এ নিয়ে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যৌনবাহিত রোগ নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছুই নেই। কিন্তু যথাযথ সময়ের মধ্যে পরীক্ষা করে দেখতে হবে শরীরে এ ধরণের কোনো রোগ প্রবেশ করেছে কিনা। তরুণদের উদ্দেশ্যে যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স জর্জ বলেন, যখনি তুমি নতুন সঙ্গী পাও তখনি একবার চেক আপ করিয়ে নেয়া ভালো। কয়েক মাস পরপর চেক আপের কথাও বলেন তিনি।

গবেষণায় আরেকটি বিষয় দেখতে পাওয়া যায়। তা হলো, মানুষ যৌনবাহিত রোগ নিয়ে হাসপাতালে যেতে আগ্রহী নয়। যদিও তারা এ নিয়ে আতঙ্কিত। অ্যালেক্স জর্জ বলেন, একটি জিনিস আমাদের মনে রাখা উচিৎ যে নিজের শরীরের দেখাশুনা করা আমাদেরই দায়িত্ব। তাই হাসপাতালে এসে এ নিয়ে অসস্থি বোধ করার কিছু নেই। নতুন সঙ্গীর সঙ্গে যৌন স¤পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে তিনি কনডম ব্যবহারে বিশেষ পরামর্শ দিয়ে বলেন, মনে রাখতে হবে ‘সেফটি ফার্স্ট’।

আরও দেখুন

তাহেরা সাদাতের ব্রিটেনজয়; স্বপ্ন এবং সফলতার গল্প

আহমাদ সালেহ: UKIM হচ্ছে ‘ইউনাইটেড কিংডমস ইসলামিক মিশন’, যেটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ১৯৬২ সালে। ব্রিটেনের ইসলাম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *