বৃহস্পতিবার , ২ এপ্রিল ২০২০
Home » মিডিয়া ও বিনোদন » সালমানের মৃত্যু নেপথ্যে প্রেম

সালমানের মৃত্যু নেপথ্যে প্রেম

ডেস্ক রিপোর্টঃ চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। ওরফে সালমান শাহ। দেশীয় চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয় এক নায়কের নাম। মৃত্যুর দীর্ঘদিন পরও চলচ্চিত্রের এই হিরোর প্রতি তার ভক্তদের ভালোবাসা এতটুকু কমেনি। সালমান শাহ’র ভক্ত, অনুরাগী, স্বজনরা মনে করেন তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন না। কিন্তু তৃতীয় দফা তদন্তেও চিত্রনায়ক সালমান শাহকে হত্যার অভিযোগের প্রমাণ মেলেনি। দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)’র তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য। এসব তথ্য, প্রমাণ, স্বাক্ষ্যের ভিত্তিতে ৬শ’ পৃষ্ঠার একটি ডকেট প্রস্তুত করেছে পিবিআই।

তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, হত্যা না, আত্মহত্যাই করেছিলেন সালমান শাহ। চিত্র নায়কিা শাবনুরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা ছিলো সালমান শাহ’র। শাবনুরকে বিয়েও করতে চেয়েছিলেন তিনি। বিষয়টি জানতেন সালমানের স্ত্রী সামিরা। একাধিকবার স্যুটিং স্পটে শাবনুরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সালমান শাহকে দেখেছিলেন তিনি। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ছিলো কলহ। এই কলহ থেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন সালমান। আত্মহত্যার এরকম পাঁচটি কারণ উঠে এসেছে পিবিআই’র তদন্তে। আজ আদালতে এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে। তবে সামলান শাহ’র পরিবার এ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে।
আত্মহত্যার পূর্বে একটি সুসাইডাল নোট লিখেছিলেন সালমান শাহ। এতে তিনি লিখেছেন ‘আমি চৌ. মো. শহারিয়ার। পিতা কমরুদ্দীন আহমেদ চৌধুরী। ১৪৬/৫ গ্রীণরোড ঢাকা#১২১৫ ওরফে সালমান শাহ। এই মর্মে অঙ্গিকার করছি যে, আজ অথবা আজকের পর যে কোনো দিন। আমার মৃত্যু হলে তার জন্য কেউ দায়ী থাকবে না। সেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে, সুস্থ মস্তিষ্কে আমি আত্মহত্যা করছি।’ সুইসাইডাল নোটসহ তদন্তে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য গতকাল দুপুরে ধানমন্ডিতে নিজেদের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছে পিবিআই। এসময় ওই সুইসাইডাল নোটটিও উপস্থাপন করা হয়। নোটটি সালমান শাহ’র প্যান্টের পকেটে পান গৃহকর্মী মনোয়ারা ও আবুল। তাদের কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করেন সালমানের স্ত্রী সামিরা। পরবর্তীতে এটি সংগ্রহ করেন পুলিশের এসআই মাহবুব। পিবিআই জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েছেন এটি সালমান শাহ’র হাতের লেখা।
সালমান শাহ’র আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতার কারণে পারিবারিক কলহ আর মা নিলুফা চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরীর প্রতি অভিমান, মাকে ছেড়ে দূরে থাকার মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেই অভিমানী সালমান শাহ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন বলে তদন্তে মনে হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই’র প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, ২০১৬ সালের ২০শে ডিসেম্বর পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব নেয়ার পর সালমানের তখনকার স্ত্রী সামিরাসহ ৪৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তাদের মধ্যে ১০ জন আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে সাক্ষীদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, সালমান শাহ’র মৃত্যুর আগের দিন রাতে পরিচালক রেজা হাসমতের প্রেম পিয়াসী ছবির ডাবিং ছিলো এফডিসিতে। সেখানে হঠাৎ উপস্থিত হন সালমানের স্ত্রী সামিরা। এসময় সালমান ও শাবনুরকে ঘনিষ্ঠভাবে দেখেন তিনি। তাই রাগ করে সেখান থেকে বের হয়ে যান। ওই রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাবনুরের ফোন থেকে একটি কল আসে সালমানের মোবাইলফোনে। কথা বলতে বলতে বাথরুমে ঢুকে যান সালমান শাহ। এসময় তিনি চিৎকার করে শাবনুরকে বলছিলেন, আমাকে আর ফোন দিবা না। রাত ১২টার দিকে সালমান শাহ’র ফোনে আবারও কল আসে। এসময় রেগে গিয়ে সামিরা বাসা থেকে বের হয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিচতলার লবিতে যান। সালমানের নিরাপত্তাকর্মী দেলোয়ার হোসেন শিকদার তার জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন, সামিরা বাসার নিচে নেমে যান। তখন ওপর থেকে সালমান শাহ চিৎকার করে সামিরাকে আটকাতে বলেন। সালমানের ব্যক্তিগত সহকারী আবুল হোসেন খান সামিরাকে বুঝিয়ে বাসায় যেতে অনুরোধ করেন। পরে সামিরা বাসায় ফিরে যান। বাসায় ফিরে সামিরা যখন কান্নাকাটি করছিলেন তখন আবারও শাবনুরের ফোন থেকে কল আসে। তখন রাত প্রায় ১২টা ১৫ মিনিট। এই কল আসার পর রেগে গিয়ে সিটিসেল ফোন, শাবনুরের দেয়া একটি ছোট্ট টেবিল ফ্যান আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেলেন সালমান।
পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার সংবাদ সম্মেলনে সাক্ষীদের বরাত দিয়ে জানান, সালমান নিজের কাজ নিজেই করতেন। পানি পান করার জন্য কখনও অন্যকে ডাকতেন না। ঘটনার দিন সকালে কিচেন রুমের সামনে গিয়ে গৃহকাজের সহযোগী মনোয়ারার কাছে পানি চান। এক গ্লাস পানি পান করে আরও এক গ্লাস পানি পান করেন তিনি। তার আগে সালমান শাহ’র বাবা কমরুদ্দিন চৌধুরী বাসায় এলে চা পান করে চলে যান। সালমান তখন ঘুমে ছিলেন।
সাক্ষীদের বরাত দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সকালে ইন্টারকমে ফোন দিয়ে দারোয়ান দেলোয়ারকে সালমান শাহ বলেছিলেন, কাউকে যেন উপরে আসতে না দেয়া হয়। তারপরই ঘটে ঘটনাটি। সামিরা তখন বিছানায় আধ শোয়া অবস্থায় টিভি দেখছিলেন। সালমান শাহ বেডরুমের দরজায় দাঁড়িয়ে নিরবে সামিরার দিকে এক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়েছিলেন। সামিরা জানতে চান, কী দেখছো? নির্বাক সালমান। কোনো জবাব না দিয়ে বাথরুমে যান। বাথরুম থেকে বের হয়ে ড্রেসিং রুমে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন।
বেশ কিছুক্ষণ পরে গৃহকর্মের সহযোগী ডলি ও তার শিশুপুত্র ওমর দরজায় গিয়ে সালমান শাহকে দরজা খুলতে ডাকতে থাকে। ওমর গোসল করে এসেছিলো। তার জামা-কাপড় ছিলো ওই রুমে। বেশ কিছুক্ষণ ডাকাডাকির পর দরজা না খোলায় বিষয়টি সামিরাকে জানান ডলি। পরে চাবি দিয়ে দরজা খুলে সালমান শাহকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান সামিরা, ডলি, মনোয়ারা, আবুল ও শিশু ওমর। পরে দঁড়ি কেটে নিচে নামানো হয় সালমান শাহকে। এসময় সামিরা সালমানের মাথায় পানি দিচ্ছিলেন। অন্যরা পায়ে তেল মালিশ করছিলেন। খবর পেয়ে ছুটে যান সালমানের মা, বাবা ও ভাই। এ সময় ‘তুই আমার ছেলেকে মেরেছিস’ বলে সামিরাকে মারধর করেন নীলা চৌধুরী। তবে নীলা চৌধুরী তার জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, অজ্ঞাতরা সালমানকে ঘিরে তার পায়ে তেল মালিশ করছিলো। এসময় তাকে বলা হয় ‘গেট আউট ফরম দিস হাউজ’। তারা দ্রুত সালমান শাহকে প্রথমে হলি ফ্যামেলি হাসপাতালে, পরে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সালমানের বাসায় রান্নার কাজ করা মনোয়ারা বেগমের জবানবন্দির বরাতে পিবিআই মহাপরিচালক বনজ কুমার মজুমদার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সালমান তার স্ত্রী সামিরা এবং শাবনুর দুজনকেই খুব ভালোবাসতেন। তিনি শাবনূরকেও বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। দুই স্ত্রী নিয়ে সংসার করতে চেয়েছিলেন সালমান। কিন্তু সামিরা সতীনের সংসার করতে রাজি হননি। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়।
দেশীয় চলচ্চিত্রে আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তার মধ্যে ১৯৯৬ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটন রোডের বাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাটিকে শুরুতেই আত্মহত্যা হিসেবে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। এতে আপত্তি জানায় সালমানের পরিবার। তদন্ত করে ডিবি পুলিশ। ১৯৯৬ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃতদেহ উত্তোলন করে আবারও সুরত হাল ও ময়নাতদন্ত করা হয়। তদন্ত শেষে ১৯৯৭ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা জনিত মৃত্যু উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়। বাদিও নারাজি প্রেক্ষিতে আবারও তদন্ত হয়। এবার রেজভী আহমেদ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে রেজভী সালমানকে হত্যা করা হয়েছে বলে জবানবন্দি দেন। পরে এটি হত্যা মামলায় রুপ নেয়। তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। এবার রেজভী আহমেদ জানান, সালমানের মৃত্যুর বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। একজন ভক্ত হিসেবে সালমান শাহ’র ব্যবহৃত কাপড়-চোপড় ও ছবি সংগ্রহ করতে সালমান শাহ’র ক্যান্টনমেন্টের বাসায় গিয়েছিলেন। পরে তাকে আটক করে জোর করে, মারধর করে জবানবন্দি আদায় করা হয়। পরে ১৯৯৭ সালের ২৯শে জুলাই চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। এবার হয় বিচার বিভাগীয় তদন্ত। ২০১৪ সালের ৩রা আগস্ট ঢাকার চিফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে বিচার বিভাগীয় তদন্তের প্রতিবেদন দাখিল করেন মেট্টোপলিটন ম্যাজিস্টেট ইমদাদুল হক। বিচার বিভাগীয় তদন্তে একই বিষয় উল্লেখ করা হয়। নীলা চৌধুরী বিচার প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। তখন হত্যাকাণ্ডের আসামি হিসেবে সালমানের স্ত্রী সামিরা, তার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, রুবি, রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ, সহকারী নৃত্যপরিচালক নজরুল শেখ, ডেভিড, আশরাফুল হক ডন, মোস্তাক ওয়াইদ, আবুল হোসেন খান ও গৃহকর্মী মনোয়ারা বেগমের নাম উল্লেখ করেন নীলা চৌধুরী। ২০১৬ সালের ২০শে ডিসেম্বর মামলার তদন্তভার আসে পিবিআইয়ের হাতে। পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বলেন, আগের দুই দফা ময়নাতদন্তে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য নিয়ে, তদন্তকালে সবার সাক্ষ্য বিবেচনা করে পিবিআই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে এমন কোনো প্রমাণ তদন্তে পাওয়া যায়নি।
পিবিআই’র তদন্তাকালে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বিউটিশিয়ান রাবেয়া সুলতানা রুবি ২০১৭ সালে ফেইসবুকে এক ভিডিওতে বলেন, ‘আত্মহত্যা নয়, হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন সালমান শাহ এবং তা করিয়েছিল তারই স্ত্রী সামিরা হকের পরিবার।’ রুবির ভিডিওটি ভাইরাল হলে আলোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে রুবি তার বক্তব্য থেকে সরে যান। পিবিআই জানিয়েছে, রুবি অসুস্থ। তিনি মানসিক রোগাক্রান্ত। আমেরিকাতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ সংক্রান্ত কাগজপত্র পিবিআই’র কাছে পাঠানো হয়েছে। সালমান শাহ’র আত্মহত্যার পেছনে পাঁচটি কারণ উল্লেখ করেছে পিবিআই। এরমধ্যে রয়েছে, ১. শাবনুরের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা, বলা হয় প্রায় সালমানের বাসায় যেতেন শাবনুর। এ নিয়ে কলহ হতো সালমান-সামিরার। তবে মৃত্যুর পর সালমানের লাশ দেখতে যাননি শাবনুর। আর কোনোদিন ওই বাসাতে যাননি তিনি। ২. স্ত্রী সামিয়ার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ, ৩. মাত্রাধিক আবেগপ্রবণতা, যে কারণে একাধিকার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সালমান। এমনকি বন্ধুদের সঙ্গে ঝগড়া হলে রক্ত দিয়ে চিঠি লিখতেন তিনি। তিনি বন্ধুদের খুব ভালোবাসতেন। ৪. মায়ের প্রতি অসীম ভালোবাসা এবং জটিল সম্পর্কের বেড়াজালে পড়ে পুঞ্জীভূত অভিমান। ৫.সন্তান না হওয়ায় দাম্পত্য জীবনে অপূর্ণতা।
মাত্র সাড়ে পাঁচ বছরের চলচ্চিত্র-জীবনে ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সালমান শাহ ঢাকাই সিনেমার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। দেশে তখন তার জনপ্রিয়তা তুঙ্গে ঠিক তখনই বিদায় নিলেন সালমান শাহ। আদমজি ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ড. মালেকা সায়েন্স ইনস্টিটিউট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করা ইমন ১৯৯২ সালে বিয়ে করেন বিউটি পার্লার ব্যবসায়ীর মেয়ে সামিরাকে। তখন তার বয়স ২২ বছর। মঈনুল আহসান সাবেরের লেখা ধারাবাহিক নাটক ‘পাথর সময়’ এর একটি চরিত্র দিয়ে ইমনের অভিনয় জগতে যাত্রা শুরু। ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে রূপালী পর্দায় আবির্ভূত হন সালমান শাহ নামে। ওই ছবিতেই সাড়া জাগান তিনি। শহুরে আধুনিক শিক্ষিত তরুণ ইমেজ দিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছিলেন সালমান। তার প্রায় সব সিনেমাই ব্যবসা সফল ও বিপুল জনপ্রিয়।

আরও দেখুন

Canada to stop paying Harry and Meghan’s security

Desk Report: Canada will soon stop providing security for the Duke and Duchess of Sussex, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *